আর্থিক খাতে সুশাসন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং আমানতকারী ও পাওনাদারদের স্বার্থ সংরক্ষণের লক্ষ্যে চারটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে অকার্যকর ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। পাশাপাশি, প্রতিষ্ঠানগুলোকে রেজল্যুশনের আওতায় এনে প্রশাসক নিয়োগের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

রোববার (৯ আগস্ট) রাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে এ তথ্য জানানো হয়। অকার্যকর ঘোষণা করা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—

বড় অঙ্কের মূলধন ঘাটতি, উচ্চমাত্রার শ্রেণিকৃত ঋণ ও বিনিয়োগ, প্রয়োজনীয় তারল্য সংরক্ষণে ব্যর্থতা, আয়ক্ষমতার অবনতি এবং দায় পরিশোধে অক্ষমতার কারণে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

রেজল্যুশন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এসব প্রতিষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের প্রশাসক ও সহযোগী প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে:

২০২৫ সালের ডিসেম্বর শেষে এসব প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণের হার ছিল অত্যন্ত উচ্চ— এফএএস ফাইন্যান্সে ৯৯.৯৯%, ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ে ৯৯.৪৪%, ফারইস্ট ফাইন্যান্সে ৯৮.৫০% এবং আভিভা ফাইন্যান্সে ৯৩.৯৩%। কেন্দ্রীয় ব্যাংক আশা করছে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ও জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার এবং আমানতকারীদের স্বার্থ সুরক্ষা সম্ভব হবে।