শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে আধুনিক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের স্থপতি এবং সৎ মুসলিম শাসকের অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের আহ্বায়ক খোমেনী ইহসান। তিনি উল্লেখ করেন, জিয়াউর রহমান নির্দিষ্ট কোনো একক দলের নন, বরং তিনি সব দেশপ্রেমিক জনগণের।

শনিবার বিকেলে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জিয়া উদ্যানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মাজার জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে এ মাজার জিয়ারতের আয়োজন করা হয়।

খোমেনী ইহসান বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ জিয়ার ঘোষণার মধ্য দিয়েই দেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছিল। কিন্তু স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র অর্জিত না হয়ে দেশ ফ্যাসিবাদের কবলে পড়ে। পরবর্তীতে ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে শহীদ জিয়ার নেতৃত্বেই বাংলাদেশে নতুন করে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র পুনর্গঠনের সূচনা হয়।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদান স্মরণ করে তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতীক এবং আধিপত্যবাদবিরোধী এক মহীয়সী নেত্রী। তাঁকে অন্যায়ভাবে কারাবন্দি করে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল উল্লেখ করে তিনি বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত ও জান্নাতুল ফেরদৌস কামনা করেন। একই সাথে তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন যে, তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন আগামী সরকারও এই আধিপত্যবাদ ও ফ্যাসিবাদবিরোধী আদর্শ বহাল রাখবে এবং ঘুষ, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজিমুক্ত একটি সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলবে।

মাজার জিয়ারতকালে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের যুগ্ম-আহ্বায়ক সাইয়েদ কুতুব, কেন্দ্রীয় সদস্য সালমান সাকিব, সাকিব সামিন, জয়নাল আবেদিন এবং বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের আহ্বায়ক আব্দুল ওয়াহেদ, সদস্য সচিব ফজলুর রহমানসহ সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।